Post Top Ad

সংবাদ ভয়েস ৯ঃ অন্যান্য বাংলা ডিজিট্যাল নিউজপেপারদের আগে: পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ও অনাবাসী বাংলাভাষীদের প্রিয় ডিজিট্যাল নিউজপেপারঃ আপনারা সিটিজেন রিপোর্টার হিসাবে আপনাদের এলাকার খবর পাঠাতে পারেনঃ হোয়াটস অ্যাপ নংঃ +৯১৮৯২৭০৪২৫৯৪

আপনার দৈনিক রাশিফল জানতে ক্লিক করুন

Tuesday, June 28, 2022

ঘুষ নেওয়া আইএএস-এর বাড়িতে হানা, পাওয়া গেল কুবেরের ধনাগার, আই এ এস এর ছেলে আত্মঘাতী

নিউজ ডেস্কঃ টেন্ডার জারির নামে ৭ লক্ষ টাকা ঘুষ চাওয়ার ঘটনায় বেরিয়ে এল আইএএস অফিসার সঞ্জয় পোপলির ধনাগার। সেই ধনাগারে শুধু সোনা নয়, এমন দামী জিনিস পাওয়া গিয়েছে যা দেখে তদন্তকারী অফিসারদের চোখ ছানাবড়া হয়ে গেছে।
অভিযুক্ত আইএএস অফিসার সঞ্জয় পপলি। তিনি পাঞ্জাব ক্যাডারের ২০০৮ ব্যাচের আইএএস অফিসার। তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে স্টোর রুম থেকে ১২ কেজি সোনা, ৩ কেজি রুপা, ৪টি অ্যাপল আইফোন, একটি স্যামসাং ফোল্ড ফোন ও দুটি স্যামসাং স্মার্টওয়াচ উদ্ধার করা হয়। যে সোনা পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে প্রায় ১-১ কেজির ৯টি সোনার ইট, ৪৯টি সোনার বিস্কুট ও ১২টি সোনার কয়েন পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া ৩ কেজি রৌপ্যে ১ কেজি করে ৩টি ইট ও ১০-১০ গ্রামের ১৮টি রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া গেছে। কিন্তু কী হয়েছিল? কীভাবে পাওয়া গেল এইকুবেরের গুপ্তধন? আইএএস অফিসার সঞ্জয় পপলির নির্দেশে নওয়ানশহরে নিকাশি পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছিল। পুরো প্রকল্পের মূল্য ছিল প্রায় ৭.৩ কোটি টাকা। এর জন্য একটি দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। টেন্ডার পাশ করাতে ১ শতাংশ কমিশন চেয়েছিলেন আইএএস সঞ্জয় পপলি। কমিশন হিসেবে ঠিকাদারের কাছে ১ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকা চাওয়া হয়। অগ্রিম হিসেবে ঠিকাদারও তাকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন।
এর পরেই বাকি টাকা দাবি করতে থাকেন ওই আইএএস। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ঠিকাদার মুখ্যমন্ত্রী হেল্পলাইনে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। এর পর ভিজিল্যান্স তদন্ত শুরু করে এবং এই মামলায় ভিজিল্যান্স আধিকারিকরা ২০ জুন এই আইএএস সঞ্জয় পপলিকে গ্রেফতার করেন। এরপর ওই অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়া হয়। ভিজিল্যান্সের দলটি মোট ৭৩টি কার্তুজের সন্ধান পেয়েছে তার বাড়িতে। দুটি অস্ত্রও পাওয়া গেছে। কিন্তু এ জন্য তাদের কোনো লাইসেন্স ছিল না, বা এ বিষয়ে কোনো তথ্যও দিতে পারেনি ওই আই এ এস। ফলে, এই অফিসারের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলাও দায়ের করা হয়। এই মামলায় গত ২০ জুন গ্রেফতার হওয়া সঞ্জয় পপলির ২৭ বছর বয়সী ছেলে গত ২৫ জুন বাড়িতেই রহস্যজনক ভাবে মারা যান। বাড়িতেই গুলিবিদ্ধ হন কার্তিক। ঘটনার সময় বাড়িতে উপস্থিত ছিল ভিজিল্যান্স টিম। পুলিশের দাবি, বাড়িতে ভিজিল্যান্স টিমের ঘনঘন অভিযান ও বেআইনি সম্পত্তি উদ্ধারের জেরেই কার্তিক আত্মহত্যা করেছেন। একই সঙ্গে এই সঞ্জয় পপলির দাবি, তাঁর ছেলেকে গুলি করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে পঞ্জাবের চণ্ডীগড় পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, নিজেকে গুলি করে আত্মঘাতী হয়েছেন কার্তিক। এ ঘটনায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছে। সঞ্জয় পপলির স্ত্রীও বলেছেন, তিনি সুবিচার চান। এ জন্য আমি আদালতে যাব।

No comments:

Post Top Ad

Pages