Post Top Ad

সংবাদ ভয়েস ৯ঃ অন্যান্য বাংলা ডিজিট্যাল নিউজপেপারদের আগে: পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ও অনাবাসী বাংলাভাষীদের প্রিয় ডিজিট্যাল নিউজপেপারঃ আপনারা সিটিজেন রিপোর্টার হিসাবে আপনাদের এলাকার খবর পাঠাতে পারেনঃ হোয়াটস অ্যাপ নংঃ +৯১৮৯২৭০৪২৫৯৪

আপনার দৈনিক রাশিফল জানতে ক্লিক করুন

Sunday, October 16, 2022

সোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ মাত্র ৩৫-৪০ মিনিটে, শুরু হবে রোপওয়ে পরিষেবা

ভয়েস ৯, নিউজ ডেস্কঃ সোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথের মধ্যে শুরু হবে রোপওয়ে পরিষেবা। আর এই পরিষেবা শুরু হলে ৮ ঘন্টার পথ পার হতে সময় লাগবে ৪৫ মিনিটের মতো। আর এটিই হবে কিলোমিটার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১,৫০০ ফুট (৩,৫০০ মিটার) উচ্চতায় বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ রোপওয়ে। জানা গেছে, কেদারনাথ রোপওয়ে দিয়ে সোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথের দূরত্ব হবে ১৩ কিলোমিটার। আর এই পথে থাকবে ২২ টি টাওয়ার। গৌরীকুণ্ড, চীরবাসা, লিঞ্চলি ও কেদারনাথ এই চারটি স্টেশনও থাকবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, রাম্বাদা থেকে গরুরচট্টির মধ্যে ট্রেক রুট তৈরির প্রস্তাবেও সবুজ সংকেত দিয়েছে “ন্যাশনাল ওয়াইল্ড লাইফ বোর্ড”।
সোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথের দূরত্ব হল প্রায় ১৮ কিমি। প্রাকৃতিকভাবে অত্যন্ত দুর্গম ওই পথটি পায়ে হেঁটে পেরোতে সময় লেগে যায় প্রায় ৮ ঘণ্টা। এদিকে, ওই রাস্তা গাড়ি চলাচলের উপযুক্ত না হওয়ায় অন্য কোনো উপায়ও থাকে না যাত্রীদের কাছে। কিন্তু, এবার সেই কষ্টের দিন শেষ। রোপওয়ে চালু হলে তীর্থযাত্রীদের সংখ্যা আরো বাড়বে। এতদিন যারা দুর্গম বলে যেতে পারতেন না, তারাও অনয়াসে পৌছে যাবেন তাদের পুণ্যক্ষেত্রে।
বন ও পূর্ত দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি আর কে সুধাংশু জানিয়েছেন, ন্যাশনাল বোর্ড অফ ওয়াইল্ড অ্যানিম্যালস কেদারনাথ অভয়ারণ্য এলাকায় রোপওয়ে নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। এর পাশাপাশি কেদারনাথের ফুট ট্র্যাক এবং হেমকুণ্ড সাহিব রোপওয়ে প্রকল্পেও সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে বোর্ড। এই প্রকল্পে মোট ২৬ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবর্তনামা প্রকল্পের আওতায় এই প্রকল্পগুলি তৈরি করা হবে। মোট ১২ কিমি দৈর্ঘ্যের এই রোপওয়ে নির্মাণের জন্য খরচ পড়বে ১ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা। যার জন্য ২৬.৪৩ হেক্টর অরণ্যভূমির প্রয়োজন হবে। তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে উত্তরাখণ্ড সরকার রোপওয়ে পরিষেবা শুরু করার ক্ষেত্রে প্রস্তাব দিয়েছিল রাজ্যের “ওয়াইল্ড লাইফ বোর্ড”-কে। ওই প্রস্তাবে গত জুন মাসে সম্মতি মেলায় বিষয়টি এরপর “ন্যাশনাল ওয়াইল্ড লাইফ বোর্ড”-এর কাছে পাঠানো হয়। তারপরই কেন্দ্রীয় বোর্ডের সম্মতি মেলে। যার ফলে খুব শীঘ্রই ওই পরিষেবা সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

No comments:

Post Top Ad

Pages