Post Top Ad

সংবাদ ভয়েস ৯ঃ অন্যান্য বাংলা ডিজিট্যাল নিউজপেপারদের আগে: পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ও অনাবাসী বাংলাভাষীদের প্রিয় ডিজিট্যাল নিউজপেপারঃ আপনারা সিটিজেন রিপোর্টার হিসাবে আপনাদের এলাকার খবর পাঠাতে পারেনঃ হোয়াটস অ্যাপ নংঃ +৯১৮৯২৭০৪২৫৯৪

আপনার দৈনিক রাশিফল জানতে ক্লিক করুন

Monday, May 30, 2022

বারবার তারা এয়ার এ দূর্ঘটনা, কবে হবে সমস্যার সমাধান?

লিখছেন Aviation Mystery Writer তারক ঘোষ 

পোখরা থেকে জোমসম গামী এই 9N-AET Twin Otter বিমানটি প্রথম নয়, এর আগে ২০১০ সালের ১৫ ডিসেম্বর DHC-6 Twin Otter এবং ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ আর একটি বিমান ধ্বংস হয়ে যায়। এই বিমানদুটির একজনও যাত্রী প্রাণে বাঁচেন নি। 

 ২০১০ সালের ১৫ ডিসেম্বর

তারা এয়ার এর DHC-6 Twin Otter টুইন অটার বিমানটি কাঠমান্ডু থেকে ১৬২ কিলোমিটার (১০১ মাইল) পূর্বে লামিডান্ডা বিমানবন্দর থেকে বুধবার রওনা দিয়েছিল রাজধানী কাঠমুন্ডুর দিকে। যাত্রা শুরুর ৫ মিনিটের মাথায় বিকাল ৩.০৮ নাগাদ বিমানটির বাম দিকের ডানা ভেঙ্গে পড়ে। বিমানটির কাঠমুন্ডুতে পৌছানোর কথা ছিল বিকাল ৩.৩৫ নাগাদ। এই বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায় পূর্ব নেপালের হিমালয়ের পাদদেশে একটি পাহাড়ে। সেই সময় পুলিশ মুখপাত্র এএফপি কে বলেছিলেন, ২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, "তবে আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে কেউ বেঁচে নেই। বিমানটি "পুরোপুরি ভেঙ্গে গেছে" এবং ধ্বংসাবশেষটি ঘন জঙ্গলের ২০০ মিটার জুড়ে বিস্তৃত ছিল।

ভারী মেঘের কারণে ও আলোর অভাবে সেবারও তল্লাশী কাজ বন্ধ ছিল। পরে তল্লাশি শুরুর পর বিমানটির সন্ধান পাওয়া যায়। বিমানটিতে ১৯ জন যাত্রী ও তিনজন ক্রু ছিলেন। সেই সময় তারা এয়ার জানিয়েছিল, যাত্রীদের মধ্যে একজন আমেরিকান নাগরিক। বোর্ডে থাকা অন্যদের অধিকাংশই ভুটানি তীর্থযাত্রী ছিলেন। তারা এয়ার এর চিফ এক্সিকিউটিভ বিজয় শ্রেষ্ঠ তখন বলেছিলেন, পুওর ভিজিবিলিটি একটা কারণ ছিল। নেপালের ট্যুরিজিম বিভাগ ও এভি্যেশান এক তদন্তের নির্দেশ দেন। দূর্ঘটনার ৯০ দিন পর রিপোর্ট দাখিল করে। 

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ 

 উড়ান শুরু করার মাত্র ১৯ মিনিটের মাথায় আর একটি বিমান হারিয়ে যায় ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী। এই বিমানটিও ছিল তারা এয়ারের। এটি ছিল Viking Air DHC-6 Twin Otter। বিমানটি এবারের মতো, সেবারেও পোখরা থেকে রওনা দিয়েছিল স্থানীয় সময় সকাল ৭.৫০ মিনিটে। গন্ত্যব্যস্থল জোমসম, ট্রেকিং রুটের অন্যতম জনপ্রিয় প্রবেশদ্বার।

রওনা দেওয়ার ১০ মিনিটের মাথায় কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে সংযোগ হারিয়ে যায়। শুরু হয় বিমানটিকে খোজার প্রচেষ্টা। এই বিমানটিতে মোট ২৩ জন যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে ২ টি শিশু। বিমানটির খোজ মেলে স্থানীয় সময় দুপুর ১.২৫ মিনিটে, ধৌলাগিরি এলাকার তিরখে ধুঙ্গা, মায়াগদীর দানা এলাকায়। তারা এয়ারের মুখপাত্র ভীম রাই প্রাথমিকভাবে বলেছিলেন যে বিমানটিতে ২১ জন ছিলেন, তাদের মধ্যে তিনজন ক্রু সদস্য। পরে তিনি জানান আরও ২ জন শিশু ছিল ওই বিমানে। এ ব্যাপারে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। ১ বছর ৫ মাস পর এই তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দেয়, খারাপ আবহাওয়ার জন্যই বিমানটি ধ্বংস হয়েছিল।

No comments:

Post Top Ad

Pages