Post Top Ad

সংবাদ ভয়েস ৯ঃ অন্যান্য বাংলা ডিজিট্যাল নিউজপেপারদের আগে: পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ও অনাবাসী বাংলাভাষীদের প্রিয় ডিজিট্যাল নিউজপেপারঃ আপনারা সিটিজেন রিপোর্টার হিসাবে আপনাদের এলাকার খবর পাঠাতে পারেনঃ হোয়াটস অ্যাপ নংঃ +৯১৮৯২৭০৪২৫৯৪

আপনার দৈনিক রাশিফল জানতে ক্লিক করুন

Saturday, August 13, 2022

'হাওয়া’ সিনেমায় শালিক পাখি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা

সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘হাওয়া’ সিনেমায় খাঁচায় বন্দি একটি শালিক পাখি দেখানো ও তাকে হত্যা করে খাওয়ার দৃশ্যটি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে পরিবেশবাদী ৩৩টি সংগঠন। একই সঙ্গে সিনেমার ওই দৃশ্যটি সংশোধন করে ক্ষমা চাওয়ার জন্য তারা পরিচালক ও অভিনয় শিল্পীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর একটি জোটের দাবি, সিনেমার কয়েকটি দৃশ্য রয়েছে যা বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত এ ধরনের অপরাধের ফলে সাধারণ মানুষ পাখি শিকার, খাঁচায় পোষা ও হত্যা করে খাওয়ায় উৎসাহিত হবে। এছাড়াও সম্প্রতি আরও কয়েকটি নাটক ও বিজ্ঞাপন চিত্রে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের লঙ্ঘন করতে দেখা গেছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করে জোটটি। তবে সিনেমার পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন বলছেন, ‘ফিকশন’ হিসেবে ওই দৃশ্য দেখানো হলেও কোনও বন্যপ্রাণী হত্যা করা হয়নি। বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোটের আহ্বায়ক ড. আহমদ কামরুজ্জামান জানান, আইনে বলা আছে, বন্যপ্রাণী বহন, আটকে রাখা, প্রদর্শন করা আইনের পরিপন্থী। আমরা যতদূর জানি, এই দৃশ্য ধারণের জন্য বনবিভাগের কোনও অনুমতি নেয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, সিনেমায় দেখানো বন্যপ্রাণী হত্যা এবং খাওয়ার দৃশ্য দেখে মানুষ মনে করতে পারেন যে, এটা করা যায়। তারা এগুলো দেখে উৎসাহিত হতে পারেন। ধূমপানের দৃশ্যে যেমন লেখা থাকে যে, এটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, কিন্তু সিনেমার ওই অংশে এ ধরনের কোনও বার্তা ছিল না। চলচ্চিত্রটি প্রদর্শন বন্ধ করে আইন লঙ্ঘনের চিত্র সংস্কার করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী হত্যার দৃশ্য দেখানোর জন্য পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট অভিনেতাকে ক্ষমা চাইতে হবে। পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর ওই অভিযোগের বিষয়ে পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন দাবি করেন, একটি নেতিবাচক চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলার জন্য চলচ্চিত্রে খাঁচায় আটকানো শালিক পাখি এবং সেটিকে খাওয়ার দৃশ্য দেখানো হয়েছে। কিন্তু খাওয়ার দৃশ্যটি আসল নয়। খাঁচায় বন্দি পাখি ছাড়াও ‘হাওয়া’ সিনেমায় অকথ্য ভাষার অসংখ্য গালি নিয়েও অভিযোগ করেছেন অনেকে। বাচ্চাদের নিয়ে সিনেমাটি দেখতে গিয়ে অনেক মা-বাবাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে বলেও জানিয়েছেন অনেকে।

No comments:

Post Top Ad

Pages