ভয়েস ৯, ইন্টারন্যাশানাল ডেস্কঃ ইতালির এক সাত বছরের মেয়ে লাভিনিয়া ট্রেমেটেরা শুক্রবার তার বাবা-মায়ের সঙ্গে জার্মানিতে ছুটি কাটাতে এসেছিল। বেশ আনন্দেই সে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। কিন্তু, সেদিন সন্ধ্যাবেলায় লাভিনিয়া যখন একটি ছেলের সঙ্গে হোটেলের আঙ্গিনায় খেলছিল, তখন তার মাথার উপর ভেঙ্গে পড়ে ২০০ কেজি ওজনের একটি মূর্তি। ভয়ঙ্কর আঘাতে আর্তনাদ করে ওঠে লাভিনিয়া। হোটেলের তিনজন কর্মী লাভিনিয়ার চিৎকার শুনে সাহায্যের জন্য ছুটে যান। গিয়ে দেখেন, মুর্তির নীচে চাপা পড়ে আছে সেই ছোট্ট মেয়েটি, যে কিছুক্ষণ আগেও তাদের সঙ্গে মজা করছিল। বহু চেষ্টায় তারা মেয়েটিকে মূর্তির নীচে থেকে তাকে বের করে আনে। এরপর ইমার্জেন্সি কল করা হয়। প্যারামেডিকরা সঙ্গে সঙ্গে চলে আসেন হোটেলে। মেয়েটিকে নিয়ে যাওয়া হয় মিউনিখের একটি স্থানীয় হাসপাতালে। কিন্তু, ২ ঘন্টা পর ছোট্ট লাভিনিয়ার মৃত্যু হয়।
দক্ষিণ-পশ্চিম ইতালির নেপলসের বাসিন্দা আইনজীবী ভ্যালেন্টিনা পগি ও মিশেলের মেয়ে লাভিনিয়া। ছুটি কাটাতে এসে তার এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে গেছেন তার বাবা-মা। তারা ভাবতেও পারেননি, জার্মানীর এই হোটেলে এসে শেষ হয়ে যাবে তাদের কন্যার জীবন। মা ভ্যালেন্টিনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, 'তুই সবসময় আমাদের কাছে একটা পরী ছিলিস, আর থাকবিও। যেখানেই থাকিস, ভালো থাকিস।‘ বাবা মিশেল ট্রেমাটেরা লিখেছেন, 'আমাদের জীবন বদলে গেছে।‘
মিউনিখ পুলিশ জানিয়েছে যে মূর্তিটির ওজন প্রায় ২০০ কিলোগ্রাম (৪৪১ পাউন্ড) এবং এটি ১.৪ মিটার (৪ ফুট ৭ ইঞ্চি) উঁচু ছিল। প্রায় ২০ বছর ধরে মূর্তিটি ওখানেই রাখা ছিল। পুলিশ এই মূর্তি ভেঙ্গে পড়ার ঘটনার তদন্ত করছে। তাদের ধারণা, মেয়েটির উপর মূর্তিটি পড়ার আগে সে হয়ত মূর্তিটিতে আরোহণ করে থাকতে পারে।
Post Top Ad
আপনার দৈনিক রাশিফল জানতে ক্লিক করুন
Tuesday, August 30, 2022
Home
Crime
International
Recent
জার্মানীর হোটেলে মাথার উপর ২০০ কেজি ওজনের স্ট্যাচু ভেঙ্গে মৃত্যু ইতালির ৭ বছরের মেয়ের
জার্মানীর হোটেলে মাথার উপর ২০০ কেজি ওজনের স্ট্যাচু ভেঙ্গে মৃত্যু ইতালির ৭ বছরের মেয়ের
Tags
Crime#
International#
Recent#
Share This
About Sangbad Voice 9
Recent
Tags
Crime,
International,
Recent
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
Post Top Ad
Author Details
Sangbad Voice 9 is a Digital Newspaper. It covers the most important news throughout the world.


No comments:
Post a Comment