Post Top Ad

সংবাদ ভয়েস ৯ঃ অন্যান্য বাংলা ডিজিট্যাল নিউজপেপারদের আগে: পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ও অনাবাসী বাংলাভাষীদের প্রিয় ডিজিট্যাল নিউজপেপারঃ আপনারা সিটিজেন রিপোর্টার হিসাবে আপনাদের এলাকার খবর পাঠাতে পারেনঃ হোয়াটস অ্যাপ নংঃ +৯১৮৯২৭০৪২৫৯৪

আপনার দৈনিক রাশিফল জানতে ক্লিক করুন

Tuesday, August 30, 2022

দিল্লিতে শিশু পাচার চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেপ্তার হাসপাতাল মালিক ও তিন মহিলা

নিজস্ব প্রতিনিধি, নতুন দিল্লিঃ খোদ রাজধানীতেই শিশু পাচার চক্রের হদিশ পেল পুলিশ। দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে অবস্থিত সঞ্জয় গ্লোবাল হাসপাতাল মালিক তথা একজন ডাক্তার ডাঃ সঞ্জয় কুমার মালিক (৪০)এর যোগসাজশে দক্ষিণ রোহিনী থানা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে শিশু পাচার-চক্রটি কাজ করছিল। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই চক্রের গতিবিধির উপর নজর রাখছিল। এরপর ইন্সপেক্টর অর্জুন সিং-এর নেতৃত্বে সাব-ইন্সপেক্টর নীরজ কুমার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর গোবিন্দর সিং, হেড কনস্টেবল প্রদীপ এবং অন্যান্যদের নিয়ে একটি অভিযানকারী দল গঠন করা হয়। এই দলটি আজ এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত হাসপাতালের মালিক একজন নার্স এবং আরও দুই মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছ। 

রোহিনী জেলার ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ প্রণব তায়াল জানিয়েছেন, অভিযুক্তের হেফাজত থেকে একটি সদ্যোজাত কন্যা শিশুও উদ্ধার করা হয়েছে। তারা শিশুটিকে একজন গ্রাহকের কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা করছিল। প্রণব তায়াল জানান, এই ঘটনায় জড়িত তিন মহিলার নাম মধু সাইনি (৪৩), যিনি আগে হোলিি ফ্যামিলি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন, সীমা কুমারী (পরিবর্তিত নাম), ২৫ বছর এবং রুখসানা (পরিবর্তিত নাম), ২২। প্রণব তায়াল জানান, রোহিনীর সেক্টর-৩-এর রিং রোড মলের কাছে পুলিশের এই দলটি একটি ফাঁদ পাতে। 

হেড কন্সটেবল প্রদীপকে একজন গ্রাহক হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল এবং নিঃসন্তান পিতা-মাতা হিসাবে পরিচয় দিয়ে অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। মধু সাইনি এবং সীমা কুমারী এসে কাস্টমারের সঙ্গে দেখা করেন। পরে অন্য এক মহিলা রুখসানা এবং ডাঃ সঞ্জয় মালিকের সঙ্গে যযোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিলেন। শিশুটিকে বিক্রি করার জন্য ১,১০,০০০ টাকাযর চুক্তি করা হয়েছিল এবং ডঃ সঞ্জয় মালিকের কাছে ১০,০০০ টাকা অগ্রিম হিসাবে দেওয়া হয়েছিল। পরে, প্রদীপের কাছ থেকে একটি সংকেত পেয়ে, পুলিশের দলটি হাসপাতালে অভিযান চালায় এবং সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত রুখসানা ওই শিশুকন্যার মা, যিনি অবিবাহিতা। তিনি বলেছিলেন যে তার প্রেমিক যখন তাকে ছেড়ে চলে যায় তখন তিনি প্রায় সাত মাসের গর্ভবতী ছিলেন। তিনি গর্ভপাতের জন্য সঞ্জয় গ্লোবাল হাসপাতালে গিয়েছিলেন, যেখানে ডাঃ সঞ্জয় মালিক তাকে সন্তানের জন্ম দিতে এবং প্রসবের পরে বিক্রি করতে প্ররোচিত করেছিলেন।

No comments:

Post Top Ad

Pages