Post Top Ad

সংবাদ ভয়েস ৯ঃ অন্যান্য বাংলা ডিজিট্যাল নিউজপেপারদের আগে: পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ও অনাবাসী বাংলাভাষীদের প্রিয় ডিজিট্যাল নিউজপেপারঃ আপনারা সিটিজেন রিপোর্টার হিসাবে আপনাদের এলাকার খবর পাঠাতে পারেনঃ হোয়াটস অ্যাপ নংঃ +৯১৮৯২৭০৪২৫৯৪

আপনার দৈনিক রাশিফল জানতে ক্লিক করুন

Wednesday, July 27, 2022

ঝালকাঠিতে পেয়ারার বাম্পার ফলন কোটি টাকা বিক্রির প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকাঃ পদ্মাসেতু হওয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য নেওয়া যাচ্ছে ঝালকাঠির পেয়ারা। ফলে ভাল দাম পেয়ে খুশি জেলার পেয়ারা চাষিরা। ঝালকাঠি কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এ বছর জেলায় ৬২৯ হেক্টর জমিতে পেয়ারার চাষ হয়েছে। এবার উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার মেট্রিকটন। ঝালকাঠি জেলার ৯৫ ভাগ পেয়ারার চাষ হয় ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশা, নবগ্রাম ও গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে। এর মধ্যে কীর্ত্তিপাশার ভীমরুলী, খেজুরা, ডুমরিয়া, মীরাকাঠি, খোদ্দবড়হার, নবগ্রামের শতদশকাঠি, জগশীদপুর ও শাখাগাছি গ্রামের প্রায় শতভাগ পরিবার পেয়ারা চাষের সাথে সম্পৃক্ত। জানা যায়, শত বছরের বেশি সময় ধরে এ অঞ্চলের মানুষ পেয়ারা চাষের সাথে যুক্ত। এখানকার চাষিরা বাগান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করে নৌকায় করে পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন। পরে পাইকাররা ট্রাকযোগে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করেন ঝালকাঠির বিখ্যাত এ পেয়ারা।
এদিকে, জেলার ভীমরুলী খালে পেয়ারার সবচেয়ে বড় ভাসমান হাট বসেছে। শ্রাবণ মাসের প্রথম থেকে ভাদ্রমাস পর্যন্ত পেয়ারার মৌসুম। এ সময় প্রতিদিনই এখানে পেয়ারা বিক্রি হয়। বর্তমানে মন প্রতি পেয়ারা পাইকারি ৪৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক মৌসুমে কয়েক কোটি টাকার পেয়ারা বিক্রি হয় এ ভাসমান হাটে। ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাই এবছর ফলনও ভালো হয়েছে।

No comments:

Post Top Ad

Pages