Post Top Ad

সংবাদ ভয়েস ৯ঃ অন্যান্য বাংলা ডিজিট্যাল নিউজপেপারদের আগে: পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ও অনাবাসী বাংলাভাষীদের প্রিয় ডিজিট্যাল নিউজপেপারঃ আপনারা সিটিজেন রিপোর্টার হিসাবে আপনাদের এলাকার খবর পাঠাতে পারেনঃ হোয়াটস অ্যাপ নংঃ +৯১৮৯২৭০৪২৫৯৪

আপনার দৈনিক রাশিফল জানতে ক্লিক করুন

Monday, July 04, 2022

সিনিয়ররা আমাকে জোর করে তাদের শরীর মালিশ করতে, তাদের জামাকাপড় ধুয়ে দিতে বাধ্য করেছিল: অলিম্পিয়ান দ্যুতি চাঁদ

ভুবনেশ্বর: এক চমকপ্রদ তথ্যে ওডিশায় জন্মগ্রহণকারী অলিম্পিয়ান দ্যুতি চাঁদ দাবি করেছেন, ২০০৬-০৮ সাল পর্যন্ত ভুবনেশ্বরের স্পোর্টস হোস্টেলে থাকার সময় তিনি সিনিয়রদের র‍্যাগিং এর শিকার হয়েছিলেন। শনিবার বিজেবি স্বায়ত্তশাসিত কলেজের এক ছাত্রী তার হোস্টেলে আত্মহত্যা করে মারা যাওয়ার পর একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় চাঁদ এই কথা বলেন। চাঁদ বলেন, "দিদিরা (সিনিয়ররা) আমাকে জোর করে তাদের শরীরে মালিশ করতে এবং স্পোর্টস হোস্টেলে তাদের জামাকাপড় ধুয়ে দিতে বাধ্য করত। তিনি বলেন, হস্টেল ইনচার্জের কাছে অভিযোগ করলে আমাকে ধমক দেওয়া হত। এটি আমার উপর মানসিক প্রভাব ফেলেছিল। আমি সেই সময় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। চাঁদের অভিযোগ এমন এক সময়ে এসেছে যখন বিজেবি কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা শনিবারের ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে। ভুবনেশ্বরের স্পোর্টস হোস্টেলের কর্তৃপক্ষ এখনও চাঁদের অভিযোগের বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। উল্লেখ্য, ভুবনেশ্বরের বিজেবি কলেজের ১৯ বছর বয়সী এক ছাত্রী শনিবার তার হোস্টেলে আত্মহত্যা করে বলে অভিযোগ। প্লাস-৩ আর্টসের প্রথম বর্ষের ইতিহাস অনার্সের এই ছাত্রীকে মহিলা হোস্টেলে তার ঘরের মধ্যে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছিলেন ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ প্রতীক সিং। সিনিয়রদের র‍্যাগিং এর কারণে তিনি তার জীবন শেষ করেছেন বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে অনুমান করছে। পুলিশ ওই ঘরে একটি সুইসাইড নোট পেয়েছিল, যেখানে তিনি জানিয়েছেন, কলেজের তিন সিনিয়র তাঁকে মানসিক ভাবে হেনস্থা করেছেন। তবে তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি এবং এই তিনজন হোস্টেলের বোর্ডার কিনা তা জানা যায়নি। “যদিও লোকেরা জানে যে বিজেবি কলেজে কোনও র‍্যাগিং ছিল না, তবে তিনজন সিনিয়র শিক্ষার্থী আমাকে হয়রানি করছিল।" ছাত্রীটি তিনি তার বাবাকে সম্বোধন করে সুইসাইড নোটে উল্লেখ করেছিল।অল ইন্ডিয়া সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া ওই ছাত্রী স্যুইসাইড নোটে আরও জানিয়েছেন, হেনস্থা'র কারণে পড়াশোনায় মন দিতে পারছিলেন না তিনি। কলেজের অধ্যক্ষ নিরঞ্জন মিশ্র বলেন, কলেজে র‍্যাগিং এর কোনও ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না এবং ছাত্রীটি এমন কোনও অভিযোগও করেনি। কটকের বাসিন্দা, ছাত্রীটির মা ভুবনেশ্বরের বড়গাদা পুলিশ স্টেশনে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন সেখানে তিনি তার মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী তিন সিনিয়র ছাত্রকে যথাযথ তদন্ত এবং গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

No comments:

Post Top Ad

Pages